আজ : ০৬:০৫, জানুয়ারি ২৪ , ২০২০, ১১ মাঘ, ১৪২৬
শিরোনাম :

বোখারায় ব্যস্ত সময় কাটালেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী সাংবাদিকরা


আপডেট:১২:৩৬, নভেম্বর ২০ , ২০১৯
photo

লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : ব্রিটিশ বাংলাদেশী সাংবাদিক প্রতিনিধি দল উজবেকিস্তানের পঞ্চম বৃহৎ নগরী বোখারায় ব্যস্ত দিন কাটিয়েছেন। সোম ও মংগলবার এই দুই দিন তারা ইসলামিক ঐতিহ্য ও স্থাপত্য নিদর্শনে পূর্ণ পবিত্র এই নগরীর বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।

বুখারা হচ্ছে মধ্য এশীয় দেশ উজবেকিস্তানের একটি প্রাচীন শহর। এটি ছিলো পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যকার সিল্করুট হিসাবে ইতিহাস খ্যাত এবং ইসলামী ধর্মতত্ত্ব ও সংস্কৃতির একটি মধ্যযুগীয় কেন্দ্র। এখানে এখনও অসংখ্য ভালভাবে সংরক্ষিত মসজিদ, মাদ্রাসা, বাজার এবং কারভানসারেই রয়েছে। মূলত নবম থেকে সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কালে বর্তমান স্থাপনাগুলো গড়ে ওঠে। ৭৩ কিমি আয়তনের এই নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও শৃংখলা বিশেষ প্রশংসার দাবিদার।

উজবেকিস্তানে সফররত ব্রিটিশ বাংলাদেশী প্রতিনিধি দলের সার্বক্ষণিক গাইড আলীশের বাইসব এবং স্থানীয় গাইড ইখতিয়ার ও ফিরোজা ইমাম বুখারীর জন্মস্থান পবিত্র এই নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ঘুরিয়ে দেখান।

সাপ্তাহিক জনমত এর প্রধান সম্পাদক ও কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (সিজেএ) এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাহাস পাশার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে আরো রয়েছেন চ্যানেল এস এর সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডাঃ জাকি রেজওয়ানা আনোয়ার, সাপ্তাহিক জনমত এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, জনমত এর চীফ এক্সিকিউটিভ জুনেদ চৌধুরী ও সাংবাদিক মাহবুব রহমান।

সফরকারী দলটি বুধবার আরেকটি ঐতিহাসিক নগরী সমরখন্দ পরিদর্শন করবেন। এদিকে ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তানে বাংলাদেশের হাই কমিশনের উদ্যোগে ব্রিটিশ বাংলাদেশী সাংবাদিকদের সম্মানে এক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানী তাশখন্দে হাইকমিশন ভবনে আয়োজিত এই সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা আশা করছেন।



সাম্প্রতিক খবর

বৃটেনে ইমিগ্রশন আইন শিথিল

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড বেতন দেওয়ার যে শর্ত রয়েছে, সেটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বরিস জনসন বলেন, ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ের জন্য সরকার যে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, আয়ের ওই শর্ত তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment