আজ : ০৫:১৬, জুলাই ৫ , ২০২০, ২০ আষাঢ়, ১৪২৭
শিরোনাম :

প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আসল বক্তব্য আড়াল করে মিথ্যাচার চালায় কারা


আপডেট:০৬:০৯, জুন ২২ , ২০২০
photo

লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : এ সপ্তাহে বাংলা মিডিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড: এ কে মোমেনের প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিয়ে সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সুশীল সমাজ ও কিছু সংখ্যক রাজনীতিবিদদের নাম দিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে।এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে -স্বাধীনতা ও উন্নয়ন বিরোধী একটি চক্র পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড: এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে সোশিয়েল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রবাসীদের মনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয় যে-ড: আব্দুল মোমেন সম্প্রতি এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন যে-‘ বিশ্বব্যাপি করোনা মহামারীর ফলে বৈশ্বিক মন্দা দেখা দিলে ১০-১৫ লক্ষ প্রবাসী যদি বাংলাদেশে আসেন তাহলে দেশে অভাব বাড়বে ,সামাজিক সমস্যা দেখা দিবে,বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে এবং এর ফলে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হবে’।তিনি এও বলেছিলেন ,” আমি মনে করি আমাদের প্রবাসীরা অনেক সচেতন।তারা এই সময়ে এভাবে দেশে আসবেন না ।”

বিবৃতিতে বলা হয় - ষড়যন্ত্রকারীরা উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রবাসীদের হেয় করার জন্য অসত্য ,মিথ্যা ও বানোয়াট

কথাবার্তা বলে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে জনৈক সাংবাদিক ,কিছু রাজনীতিবীদ ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের নাম রয়েছে ।

আমি জানিনা - বিবৃতিতে যাদের নাম রয়েছে তাদের সবাই আদৌ এই বিবৃতি দেখেছেন কিনা বা বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন কিনা? কারন এমন একটা মিথ্যা বিবৃতিতে তাদের নাম দেখে কমিউনিটির লোকজন বিস্মিত হয়েছেন ।বিবৃতিতে নাম দেখে সুশীল সমাজের অনেকের সাথে আলাপ করে জানা গেছে যে -তাদের নাম ব্যবহার করে মিডিয়ায় প্রেরিত বিবৃতিটি তারা পড়েননি বা নিজ হাতে স্বাক্ষর করেন নি ।

তারা বলেন - পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘনিষ্ট এক আত্মীয় ও যুক্তরাজ্যস্থ সরকারী দলের এক প্রভাবশালী এক নেতা বিবৃতিদাতাদের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর পক্ষে একটা বিবৃতিতে সম্মতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানালে তারা সম্মতি দেন বলে জানা গেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেট তথা বাংলাদেশের কৃতি সন্তান ।পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য,যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সুসম্পর্ক রয়েছে ।মন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে কারো দুশমন নন ।

উপরোক্ত বিবৃতিতে ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যে বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে তা যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে কোন প্রবাসীদেরই বিরোধিতা বা প্রতিবাদ করার কিছু নেই।কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়া ও ভিডিও পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে ,এক মহিলা সাংবাদিকের সাথে সাক্ষাৎকারে প্রবাসীদের দেশে আসা সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে- “এই অবস্থায় আমরা চাচ্ছি কম লোক দেশে আসুক ।আমাদের মানুষজন খুব স্মার্ট ।তারা বিদেশে থাকে।একদিকে না একদিকে কিছু ম্যানেজ করবে ।আমরা তাদের অনুরোধ করেছি বাধ্য না হলে দেশে আসবেন না।এরা আসলে আন এম্পলয়মেন্টের পরিমান বাড়বে ।১০-১৫ লাখ লোক আসলে দেশে চুরি চামারি বেড়ে যেতে পারে।আইন কানুন ডিটারয়েট করতে পারে ।আমরা যে হারে উপরে উঠেছিলাম ( হাত উপর থেকে নীচে নিয়ে) তা স্লো হয়ে যাবে।”

মন্ত্রীর এই বক্তব্য হুবুহু ভিডিও রেকর্ডিং সহ সোশিয়েল মিডিয়ায় প্রচারিত হয় ।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা লাইভে এসে ও কমেন্ট দিয়ে প্রতিবাদ জানায় ।

এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরেকটা ভিডিও বক্তব্যে ব্যাখ্যা দিয়ে ও প্রতিবাদ করে বলেন যে -‘ আমি বলেছি এরা দেশে আসবেনা ।এরা স্মার্ট ।এরা আমাদের দেশে আসলে আনএম্পলয়মেন্ট বেড়ে যাবে।দেশে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হবে।যার ফলে চুরি চামারি বাড়বে ।আমি বলি নাই প্রবাসী চোর ।

এরা দুষ্টু লোক ।কিছু বললে এটাকে তারা টুইস্ট করে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উভয় বক্তব্য মিডিয়াতে আসার পর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি ,আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিষ্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন গত ২৮মে ফেইস বুক লাইভে এসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড: মোমেনের বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন যে- ‘ আমি উনার বক্তব্য শুনেছি ।উনি বলেছেন ,কেউ উনার বক্তব্য টুইস্ট করেছে ।আপনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ।আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ ।সারা পৃথিবীর মানুষের বোধগম্য হয় এমন কথা বলতে হবে ।আপনার আবেগী বক্তব্য নিয়ে প্রবাসী ও সরকার মুখোমুখি হবে কেন ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে প্রবাসীদের কাছে নিয়ে আসতেছেন । নবাবজাদা কিছু সংখ্যক লোকের আচরনে বলতে পারতেন।জেনারেলভাবে যখন বলেন ,প্রবাসীরা নবাবজাদা তখন কি বুঝা যায় ?

আপনি কিভাবে বলেন, চুরি চামারি বেড়ে যাবে।প্রবাসীদের আপনি কি সম্মান দিলেন ? সাধারন মানুষ সাধারনভাবে বুঝবে ,প্রবাসীরা চোর ।আমি জানি উনার ভেতরে দুই নম্বরী নেই। কিন্তু প্রতিবারই এক মিনিটের একটা একটি বক্তব্য দেন ,আবার বুঝাবার জন্য আরেকটি ৫ মিনিটের বক্তব্য দেন ।বলেন -আমি এটা বলি নাই ,ওটা বলি নাই ।আপনি এ পদের যোগ্য না ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো অন্য জায়গায় দেওয়ার জন্য।আরো বড় পদে উনাকে দিয়ে দিতে ।আপনার ইন্টেনশন হয়তো ভাল।এসব বেফাঁস কথা ।কিন্তু কথা বলতে সমস্যা হলে কথা বইলেন না ,সরকারের ক্ষতি কইরেন না ।’

ব্যারিষ্টার সৈয়দ সুমনকে এ সাহসী বক্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ।তিনি বাংলাদেশে থেকেও প্রবাসীর পক্ষে কথা বলেছেন ।তিনি তেল মারেন নি ।তেলা মাথায় তেল দেননি ।কাউকে ভয় করেন নি ।সরকারের সকল উন্নয়ন কাজের একজন সমর্থক হয়েও প্রবাসী বাংলাদেশীদের মন জয় করতে পেরেছেন ।সালাম জানাই জাতির বিবেক এই আইনজীবি ও মানবতার ফেরিওয়ালার প্রতি ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিভিন্ন অগ্রণযোগ্য বক্তব্য নিয়ে ড: তাজ হাশমী একটি খোলা চিঠি লিখেছেন যা বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক মানব জমিনে প্রকাশিত হয়েছে ।পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সমালোচনা করে সোশিয়েল মিডিয়ায় অশালিন বক্তব্য এসেছে।বিভিন্ন লেখক জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছন ।কিন্তু বৃটেনের কিছু কমিউনিটি নেতা ,আইনজীবি,সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্যের গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতিবাদ করার পর তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন ড: মোমেনের সমর্থক গোষ্ঠী ।তারা বিবৃতিতে বলেছেন ,প্রতিবাদকারীরা নাকি স্বাধীনতা বিরোধী ও উন্নয়ন বিরোধী ।তারা মিডিয়ায় প্রেরিত বিবৃতিতে অত্যন্ত সুকৌশল ও চতুরতার সাথে ‘ প্রবাসীরা দেশে আসলে চুরি চামারি বেড়ে যাবে ‘ উক্তিটি বাদ দিয়েছেন ।অথচ পররাষ্ট্র মন্ত্রী বার বার একথাটা বলেছেন বলে স্বীকার করেছেন ।যার প্রমাণ ভিডিওতে আছে ।

আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সাম্প্রতিক অনেক বিতর্কিত কথা বলেছেন ।ভারত -বাংলাদেশ সম্পর্ক ,সৌদি আরব থেকে নির্যাতিত মহিলা শ্রমিকদের ফেরত প্রভৃতি ইস্যুতে তাঁর মন্তব্য অনেককেই স্তম্ভিত করেছে।তিনি প্রবাসীদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে নিরুৎসাহিত করছেন ।সারা জীবন পরিশ্রম করে দেশে যে সহায় সম্পত্তি তারা গড়ে তুলেছেন তা কি ভোগ করার তাদের কোন অধিকার নেই ।প্রবাসীদের বাড়ি ঘর,জায়গা জমি দখল করছে ভূমি খেকোরা ।তাদের নেই কোন জাতীয় পরিচয় পত্র ।বাংলাদেশে ভোটার তালিকায় নাম নেই ।এবারের করোনা পরিস্থিতিতে গরীবদের জন্য কোটি কোটি টাকা পাঠাচ্ছেন ।কিন্তু দেশে বেড়াতে গিয়ে তারা হলেন নিগৃহীত ,জেল জরিমানার শিকার ।বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন অনেক প্রবাসী ।রেস্টুরেন্টে প্রবেশিধাকার করা হলো নিষিদ্ধ ।প্রবাসীর বাড়ি আক্রমণ করা হলো ।লাল পতাকা টানানো হলো । কিন্তু তাদের পক্ষে কথা বলার লোক বা জনপ্রতিনিধিদের পাওয়া গেলোনা ।প্রবাসীরা বাংলাদেশে কোন লাইসেন্স পারমিট চান না । চান ,সামান্য সম্মান ও জান মালের নিরাপত্তা ।

তবে দুইদিন আগে প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে প্রবাস বিষয়ক মন্ত্রী ,পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরী বৈঠক ও সাংবাদিক সম্মেলন প্রবাসীদের মনে কিছুটা আশার সন্চার করেছে।প্রবাসীরা যাতে এখন দেশে না যান সেজন্য তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন এবং পরবর্তীতে দেশে গেলে ব্যাবসায় ঋণ দেওয়ার কথা বলেছেন ২২শে জুন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ।

যে কোন গণতান্ত্রিক সমাজে মানুষের কথা বলার ও সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে ।একজন মন্ত্রীর বেফাঁস বক্তব্যের প্রতিবাদ কিভাবে রাষ্ট্র বিরোধী হয় ? যারা প্রতিবাদ করেছেন তারা দীর্ঘ ৪০/৫০ বছর ধরে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন ।সিলেট বিভাগ আন্দোলন ,সৈয়দ সুরত মিয়া ও মোগল কোরেশী হত্যার বিরুদ্ধে আন্দোলন,ভোটাধিকার আন্দোলন ,প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন ও টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন ,বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন ,১৯৭১ সালের মুক্তিযুদধ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সকল দূর্যোগময় মুহুর্তে সক্রিয় ভূমিকা পালন ,ব্যারিষ্টার রিজওয়ানের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সুবিচার আদায় ,জলোচ্ছাসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য শেল্টার নির্মান সহ হাজার হাজার জনকল্যাণমূলক কাজের সাথে যারা জডিত তাদের গঠনমূলক প্রতিবাদ কিভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়ন বিরোধী হয় ?

আমরা দেখেছি - বাংলাদেশে মানুষ কথা বলতে ভয় পায় ।সরকার বিরোধী বেশী কথা বললে মানুষ গুম হয়ে যায় ।কিন্তু প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থে গণতন্ত্রের সূতিকাগার বৃটেনে থেকেও কোন বেফাঁস কথার প্রতিবাদ করলে তা কিভাবে দেশ বিরোধী হয়?

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দুইবারের বক্তব্য ,ব্যারিষ্টার সৈয়দ সুমন ও ড: তাজ হাশমীর বক্তব্যে কি প্রমাণ হয়না যে - প্রবাসীরা দেশে গেলে চুরি চামারি বেড়ে যাবে সহ অন্যান্য বেফাঁস কথা বার্তা পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন ।পররাষ্ট্র মন্ত্রীর আসল বক্তব্যকে আড়াল করে সম্মানীত সমর্থক গোষ্ঠী যে বিবৃতি মিডিয়ায় দিলেন তা কি মিথ্যাচার নয় ? পররাষ্ট্র মন্ত্রীর আত্মীয় হওয়ার কারনে,দলীয় লেজুর বৃত্তি ও স্বার্থ আদায়ের লক্ষ্যে প্রবাসীদের স্বার্থেক বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত ? এক কোটি ত্রিশ লাখ প্রবাসীর পক্ষে যারা অবস্থান করবে তাঁরাই প্রবাসী জনগনের বন্ধু ।যারা সত্যকে গোপন করে ,অন্যায়ের প্রতিবাদ করেনা ,মন্ত্রীর তোষামোদ করে বাহবা আর হাততালি পেতে চায় তাদের জনগণ চিহ্ণিত করে রাখবে ।আমরা সবাই পররাষ্ট্র মন্ত্রীর শুভাকাঙখি ।কিন্তু তাঁর কাছ থেকে ভাল ব্যবহার ও সুআচরন চাই ।প্রবাসীদের সুখে দু:খে পাশে দেখতে চাই।প্রবাসীদের খুশী করে বিবৃতি চাই।এটা মনে রাখতে ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় ।কর্মের মাধ্যমেই সরকার ও মন্ত্রীরা মূল্যায়িত হবেন জনগনের মানস মুকুরে ও অমর হয়ে থাকবেন যুগ যুগ ধরে ।

সম্প্রতি গঠিত ‘ ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজ ‘ গ্রূপের নেতৃবৃন্দ এ প্রতিনিধির সাথে এক সাক্ষাৎকারে পারস্পরিক কাঁদা ছোঁড়া ছুঁড়ি না করে সারা বিশ্বে বসবাসরত বাংলাদেশীদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।তারা বলেছেন যে- প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দরা সব সময় প্রবাসীদের স্বার্থে কথা বলে যাবেন ।কোন হুমকি ধামকি তাদের প্রবাসীদের পক্ষে কথা বলতে থেকে বিরত রাখতে পারবেনা ।পররাষ্ট্র মন্ত্রীর পক্ষে যারা সাফাই গাইছেন তারা সত্যের অপলাপ করেছেন।তারা আরো বলেন যে- পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে ।তাঁর কল্যানের জন্য এবং প্রবাসীদের অধিকার রক্ষার জন্য এ প্রতিবাদ করা হয়েছে ।আমরা কোন বক্তব্য টুইস্ট করিনি ।মিডিয়ায় যা দেখেছি তার প্রেক্ষিতেই প্রতিবাদ জানিয়ে পরামর্শ দিয়েছি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর একজন ভক্ত এ প্রতিনিধিকে বলেন যে - মন্ত্রী অন্তর থেকে প্রবাসীদের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি ।আবেগে অতিরিক্ত কিছু বলেছেন ।তবে এ নিয়ে প্রবাসী নেতৃবৃন্দের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য শোভনীয় নয় ।প্রবাস বিষয়ক মন্ত্রী ,পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও সরকার যথাযথভাবেই প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূল্যায়ন ও তাদের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন ।



সাম্প্রতিক খবর

সুনামগঞ্জ জেলা ও উপজেলা সদরে বানের পানি, নৌকা ডুবিত নিহত ৩

photo মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান : গত দু'তিন দিনের প্রবল বর্ষণ এবং সীমান্তের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হাওর জনপদ সুনামগঞ্জ এখন বন্যার কবলে। সুনামগঞ্জ জেলা সদর এবং সীমান্তবর্তী উপজেলা তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভপুর উপজেলা সদরে বানের পানি ঢুকে পড়েছে। সুনামগঞ্জ- তাহিরপুর এবং সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভপুর সড়ক বানের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জেলা সদরের সাথে এ দু'টি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment