আজ : ১১:২৫, নভেম্বর ১৩ , ২০১৯, ২৯ কার্তিক, ১৪২৬
শিরোনাম :

ঈদে ব্রিটেন থেকে রেমিটেন্স পাঠানো কমেছে


আপডেট:০৫:৪৪, অগাস্ট ৯ , ২০১৯
photo

লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : ব্রিটেনে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা ঈদ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পাঠান দেশে। বিগত বছরগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, ঈদুল আজহায় এই রেমিটেন্সের পরিমাণ থাকে সর্বোচ্চ। কিন্তু এবারের চিত্র পুরোপুরি আলাদা। পূর্ব লন্ডনের বাঙালি পাড়ার বাংলাদেশি মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যস্ততার চেনা চিত্রপট বদলে গেছে। প্রতি ঈদের সময় এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যস্ততা বেড়ে গেলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। দেশে টাকা পাঠানোর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পাউন্ডের দাম কমে যাওয়াতে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

পাউন্ডের দরপতনের কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্রেক্সিট জটিলতায় এটি সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ক্ষমতা গ্রহণের পরদিন থেকেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে পাউন্ডের দরপতন শুরু হয়। জনসন কোনও চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট সম্পাদন করতে পারেন বলে একটা ধারণা তৈরি হয়েছে এবং এই ধারণাই ব্রিটেনের মুদ্রাকে ডলার এবং ইউরোর বিপরীতে দুর্বল করে দিচ্ছে।

লন্ডনে অবস্থিত মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জ হাউজ (ইউকে) লিমিটেড এর সিইও খায়রুজ্জামান জানান, রমজানের ঈদের তুলনায় এবার বাংলাদেশে অনেক কম টাকা পাঠানো হয়েছে। অনেকে মনে করেছিলেন পাউন্ডের বিপরীতে টাকা বেড়ে যাবে কিন্তু উল্টো ব্রেক্সিটের কারণে পাউন্ডের মান কমে গেছে। তাই অনেকেই টাকা পাঠাননি।

তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে রেমিটেন্সের প্রবাহ অনেক ভালো ছিল, তখন টাকার রেটও ছিল আশানুরূপ। কিন্তু হঠাৎ করে ব্রেক্সিট অস্থিরতার কারণে ব্রিটেনের মুদ্রার মূল্য কমে যাওয়াতে ব্যবসা অনেক কমে গেছে।’

ইউকে থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর ব্যবসায় জড়িত পূবালী ব্যাংক এক্সচেঞ্জ (ইউকে) লিমিটেড এর হেড অব অপারেশন শের মাহমুদ জানান, গত জুন মাসের তুলনায় তারা অনেক কম ব্যবসা করেছেন।

তিনি জানান, তারা গত জুন মাসে তিন মিলিয়নের ওপর টাকা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। অথচ কোরবানির মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তারা মাত্র দুই মিলিয়ন টাকা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন।

টাকার রেট কমে যাওয়ায় অনেকে ভিন্ন উপায়ে দেশে টাকা পাঠাচ্ছেন জানিয়ে শের মাহমুদ আরও বলেন, ‘এই কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং বাংলাদেশ হারাচ্ছে রেমিটেন্স।’

জেএমজি কার্গোর স্বত্বাধিকারী মনির আহমদ জানান, ঈদুল আজহার মৌসুমে সাধারণত ব্রিটেন থেকে রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স দেশে যায়। এবার ব্রেক্সিট নিয়ে অস্থিরতার কারনেই পরিস্থিতি ভিন্ন।



সাম্প্রতিক খবর

বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস ফোরাম ব্যবসায়ীদের সাথে বিজনেস নেট ওয়ারকিং সভা

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ঃলুটনের বৃহত্তম ব্যবসায়ী সংগঠন বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস ফোরাম (BBBF) ব্যবসায়ীদের সাথে বিজনেস নেট ওয়ারকিং সভা গত ১১ নভেম্বর সোমবার লুটনে একটি অভিজাত রেষ্টুরেনেট অনুষ্টিত হয়। সভায় সভাপতিও করেন সংগঠনের চেয়ার ফয়ছল আহমদ,সজ্ঞলনা করেন সাধারন সম্পাদক জনাব খলিলুর রহমান। সভায় বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ীদের উপস্হিতিতে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সমস্যা এবং

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment