আজ : ০৭:৪৫, অক্টোবর ১৪ , ২০১৯, ২৯ আশ্বিন, ১৪২৬
শিরোনাম :

সোমবার কারী ইন্ড্রাস্ট্রির সবেচেয়ে বড় এওয়ার্ড অনুষ্ঠান


বৃটিশ কারি এওয়ার্ড-এর এক্সক্লোসিভ ট্রাভেল পার্টনার হলো এয়ার এক্সপ্রেস

আপডেট:০৬:৪৩, নভেম্বর ২৫ , ২০১৫
photo

লন্ডনবিডিনিউজ২৪: কমিউনিটি এবং মেইনস্ট্রিম গ্রাহকদের সেবা প্রদানকারী বৃটিশ বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান এয়ার এক্সপ্রেস ট্রাভেল এন্ড ট্যুরসকে এক্সক্লুসিভ ট্রাভেল পার্টনার হিসেবে গ্রহণ করেছে ওস্কার খ্যাত বৃটিশ কারি এওয়ার্ড। এটি শুধু একটি চুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন প্রজেক্ট পার্টনারশীপের মাধ্যমে বাস্তবে পরিণত হবে। কারি এওয়ার্ড সংশ্লিস্ট ট্রাভেল সার্ভিসে, প্রচারণায় এবং আন্তর্জাতিক স্পেশাল ট্যুরে অফিসিয়্যাল পার্টনারশীপে থাকবে এয়ার এক্সপ্রেস। বৃটিশ কারি এওয়ার্ডের ফাউন্ডার এনাম আলী এমবিই মঙ্গলবার স্থানীয় হলিডে ইন হোটেলে এক যৌথ মিডিয়া ব্রিফিং-এর মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন।


এয়ার এক্সপ্রেসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মজিরুল হক সুমন বৃটিশ কারি এওয়ার্ডের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এনাম আলী এবং বৃটিশ কারি এওয়ার্ড একেকটি ব্র্যান্ডনেইম, আর এয়ার এক্সপ্রেসও যথাসাধ্য চেষ্টা করছে মেইনস্ট্রিমের ট্রাভেল এন্ড হলিডে জায়েন্টদের সাথে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ব্যবসায়িক সমৃদ্ধির পাশাপাশি কমিউনিটির সুনাম নিয়ে আসতে। সেই সূত্রে বৃটিশ কারি এওয়ার্ডের সাথ যুক্ত থাকা একটি গর্বের বিষয়।
এনাম আলী বলেন, আজকের বিশ্বে ট্রেভেল এন্ড হলিডে একটি বিশাল মার্কেট। কমিউনিটির লোকজনও কমবেশী হলিডেতে যাচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় কমিউনিটির ট্রাভেল ব্যবসা ততোটা বড় মার্কেটে যেতে পারেনি। তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে মালটি মিলিয়ন পাউন্ড টার্নওভারের প্রতিষ্ঠান এয়ার এক্সপ্রেস বৃটিশ ট্রাভেল ইন্ড্রাস্ট্রিতে একটি অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে কমিউনিটির যোগ্য, মানসম্পন্ন এবং প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠানকে সমর্থন দিয়ে যাওয়া। মিডিয়া ব্রিফিং-এ এনাম আলী এমবিই আসন্ন বৃটিশ কারি এওয়ার্ডের সামগ্রিক আয়োজনের কথা তুলে ধরেন। মুজিরুল হক সুমন জানান, বাংলাদেশের ট্যুরিজমকে কমিউনিটি এবং বৃটিশ সোসাইটিতে আরো বেশী পরিচিত করার পরিকল্পনার কথা। আর বিশেষ অতিথি বিমান ইউকে-র জেনারেল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম তুলে ধরেন কক্সবাজার প্যাকেজের ব্যাপারে। এতে এয়ার এক্সপ্রেসের মিডিয়া এভাইজার মুহাম্মদ জুবায়ের লিখিত বক্তব্য রাখেন।


বৃটিশ কারি এওয়ার্ড: অনুষ্ঠানে বলা হয়, বাটারসি পার্কে ৩০ নভেম্বর বসছে বৃটিশ কারি এওয়ার্ডের ১১তম আসর। বিবিসিসহ নানা মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেও কারি অস্কার খ্যাতি পেয়েছে বৃটিশ কারি এওয়ার্ড। সূচনা হয়েছিলো অভিজাত হোটেল গ্রোজভেনার হাউসে ২০০৫ সালে। তারপর প্রায় ১৮শ অতিথির আসন সংখ্যার কথা বিবেচনায় নিয়ে ইন্ড্রাস্ট্রির সবচেয়ে বড় এই এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের জন্য বাটারসি পার্ককে বেছে নেয়া হয়। জমকালো বর্ণাঢ্য আয়োজন, সেলিব্রেটি ব্যক্তিত্ব, বৃটিশ রাজনীতি এবং ব্যবসার প্রভাবশালীদের উপস্থিতি আলাদা একটি স্থানে নিয়ে গেছে বৃটিশ কারি এওয়ার্ডকে।

এতে প্রধানমন্ত্রী ডেইবিড ক্যামেরুন, লেবার লিডার, হোম সেক্রেটারি উপস্থিত হয়েছেন একাধিকবার। মন্ত্রী, এমপি, মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার প্রভাবশালী সম্পাদক, সাংবাদিক, ডিরেক্টররা এবং কমিউনিটি মিডিয়া ও সমাজের বিশিষ্টজনের উপস্থিতিও নিয়মিত। লিজেন্ডারী সাংবাদিক ট্রেভেল ম্যাকডোনালড থেকে শুরু করে হো ওয়ান্ট টু বি এ মিলিয়নিয়ার খ্যাত ক্রিস টারেনসহ-সেরা সেলিব্রেটিরাই থাকছেন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায়। বৃটিশ ক্যালেন্ডারের অন্যতম সেরা ইভেন্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এই আয়োজন। এবারও এন্টারটেইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন এবং সেরা রেস্টুরেন্ট এওয়ার্ডের ক্ষেত্রে থাকবে নানা চমক। আর বরাবরের মতো একটি বিশেষ থিমে সাজানো হবে পুরো আয়োজন। এছাড়া বিশেষ চ্যারিটির জন্য সহযোগিতাও থাকবে অব্যাহত।

কারি ওস্কার উল্লেখ করে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছিলেন, এই আয়োজন ইন্ডাস্ট্রি সেক্টরে একটি উদাহর সৃষ্টি করেছে। যার মাধ্যমে এওয়ার্ড বিজয়ীরা আরো বেশী আশাবাদী হয়। গত বছররের অনুষ্ঠানে বৃটিশ হোম সেক্রেটারী থেরেসা মে বলেছিলেন, দুশ’ বছরের আগে মাত্র ১টি রেস্টুরেন্ট দিয়ে সূচিত বৃটিশ কারি ইন্ড্রাস্ট্রি আজ মালটি বিলিয়ন পাউন্ড-এর সাকসেস স্টোরি ও আধুনিক সার্ভিস ইন্ড্রাস্ট্রি ।


রাবরাবরের মতো এবারও বৃটিশ কারি এওয়ার্ডস বিপুলসংখ্যক পাবলিক নোমিশেন পেয়েছে। এবারের নোমিনেশনের সংখ্যা ২১৮ হাজার এবং ২হাজার ৪৫৯টি রেস্টুরেন্ট হয়েছে মনোনিত। এর মধ্য থেকেই জাজ প্যানেলের স্পেশালিস্টরা সর্টলিস্টেড ও বিজয়ীদের নাম বাছাই করেন। এনাম আলী বলেন, তিনি এই অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে কারিকে প্রমোট করছেন এবং সরকারের মধ্যে কারি ইন্ড্রাস্ট্রির স্বার্থে প্রভাব রাখার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, কারি ইন্ড্রাস্ট্রির সংকটের কথা বিবেচনায় রেখে কিছু ইমিগ্রেশন পলিসি বা লেজিসলেশনের রিভিউ জরুরী হয়ে পড়েছে। এছাড়া আমরা চাই একটি প্রয়োজনে টেমপোরারি ভিসা পদ্ধতির মাধ্যমে হলেও শেফ আনার সুযোগ দিয়ে ইন্ড্রাস্ট্রিকে রক্ষা করতে হবে।
এনাম আলী এমবিই বলেন, বৃটিশ কারি এওয়ার্ড নিজেই শুধু আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় কাভারেজের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করছেনা, মূলত এওয়ার্ড বিজয়ী রেস্টুরেন্ট ও টেকওয়েগুলোও পত্রপত্রিকা এবং রেডিও-টিভিতে বিশাল প্রচারণা পাচ্ছে। শত শত ইংরেজি পত্রিকা স্থানীয়ভাবে এওয়ার্ড বিজয়কে যেনো সেলিব্রেট করছে। কাস্টমাররাও বৃটিশ কারি এওয়ার্ড বিজয়ী রেস্টুরেন্টকে আলাদা মর্যাদায় দেখছে এবং এওয়ার্ডের কারনে ব্যবসা বেড়ে গেছে কয়েকগুন এমন অনেক প্রমান রয়েছে। ইন্ড্রাস্ট্রির এই সাফল্যে শক্তিশালী ভুমিকা রেখে বৃটিশ কারি এওয়ার্ড গর্বিত। পুরো বৃটিশ সোসাইটির সামনে বাংলাদেশী, ইন্ডিয়ান বা পাকিস্তানী কারি সম্মানের সাথে উপস্থাপিত হচ্ছে। এর মালিক এবং শেফকে বিশেষভাবে মূল্যায়িত করা হচ্ছে। তরুণ রেস্টুরেটাররা প্রবল আগ্রহ নিয়ে বৃটিশ কারি এওয়ার্ডে আসছে, যুক্ত থাকছে। অনেকের কাছে এই এওয়ার্ড পাওয়াটা একটি স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, শুরু থেকেই এওয়ার্ড প্রদান ও বাছাই-এর ক্ষেত্রে সততা ও স্বচ্ছতার দিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।


এয়ার এক্সপ্রেস: বার্ষিক প্রায় ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড টার্নওভারের এয়ার এক্সপ্রেস অনলাইন মার্কেটিংয়ে মেইনস্ট্রিমের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করছে। সফল ট্রাভেলস এন্ড হলিডে পার্টনার হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে। কাস্টমারদের প্রায় ৬০ ভাগ হচ্ছেন মেইনষ্ট্রিম, তথা শ্বেতাংগ। ২৩ বছর আগে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আবদুল হান্নান প্রতিষ্ঠিত এয়ার এক্সপ্রেস বর্তমানে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে বহুজাতিক স্টাফ, ট্যুর স্পেশালিস্ট, ইন্ডিয়া এবং ঢাকার কল সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এর ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বে আছেন মুজিরুল হক সুমন।
কোম্পানীর সাম্প্রতিক দুটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হচ্ছে অল স্টার হলিডে এবং গো হাজ্জি ডটকম। অল স্টার হলিডে-হচ্ছে এমন একটি বিশেষ আয়োজন, যার মাধ্যমে ফ্লোরিডা, রাস আল খাইম, জর্দান, মরিশাস ও কেরাবিয়ান ইত্যাদি ড্রিম হলিডে স্পটের বিশেষ প্যাকেজ থাকবে। ১ ডিসেমবর থেকে এর যাত্রা শুরু হবে এবং বৃটিশ কারি এওয়ার্ডেই হবে ১ম প্রচারণা। ড্রিম হলিডের সাথেই প্রচারণা পাবে বাংলার অহংকার কক্স্রবাজার। এছাড়ও মরোক্কো, স্পেন, টার্কি, দুবাইসহ বিভিন্ন সিটিতে এয়ার এক্সপ্রেস দিচ্ছে বিশেষ হলিডে প্যাকেজ।


মুজিরুল হক সুমন জানান, এয়ার এক্সপ্রেস কাজ করছে হাজারো ফ্লাইট ও প্রায় আড়াইশ হাজার হোটেলের সাথে। এর মধ্যে এক্সক্লুসিভ ডিল রয়েছে চার মহাদেশের সেরা হলিডে ডেস্টিনেশনের প্রথম সারির হোটেল ও এয়ারলাইন্সগুলোর সাথে। স্পেশাল পার্টনারশীপ বা সরাসরি নিযুক্ত এজেন্টস বা স্পেশাল ডিল হিসেবে এয়ার এক্সপ্রেস কাজ করছে বৃটিশ এয়ারওয়েজ, এমিরাটস, সৌদিয়া, রয়েল জর্দান, ইত্তিহাদ ও বিমান বাংলাদেশ, টার্কিস, লফথানসা, গালফ, কোয়েট, এয়ার ইউরোপা, চায়না সাউদার্নসহ আরো অনেক এয়ারলাইন্সের সাথে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটির ইউকে মার্কেটের সেরা প্রতিযোগিতায় রয়েছে এয়ার এক্সপ্রেস। কাজ করছে জর্দান এবং রাস আল খায়েম এর টোরিজম বোর্ড-এর সাথে।


সুমন বলেন, ১২৬ বিলিয়ন পাউন্ড এর বৃটিশ ট্রেভেল এন্ড ট্যুরিজম ইন্ড্রাস্ট্রি প্রতি বছরই এক দুই বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই হিসেবে রয়েছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ট্যুর ও ফ্লাইট। এম্পলয়ির সংখ্যা ৩.১ মিলিয়ন। সেই হিসেবে এথনিক ট্রেভেলগুলো ততোটা প্রভাবশালী ভাগ বসাতে পারিনি। আমাদের মতো নিউ জেনারেশন প্রতিষ্ঠান থেকে শ্বেতাংগরা যেমন সার্ভিস নিচেছন, হলিডে প্যাকেজের ক্ষেত্রে বৃটিশ বাংলাদেশীরাও আরো বেশী বিশেষ সার্ভিস নিতে পারেন। কারন আমরা জানি আমাদের কমিউনিটিতেও দ্রুত হলিডে ট্র্যান্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবাই সপরিবারে বা একাকি একটু শান্তি, বিশ্রাম এবং সুখের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন।


কক্সবাজার ফ্র্রি ফ্লাইট: ডোন্ট মিস.. এয়ার এক্সপ্রেসের এমডি মুজিরুল হক সুমন বলেন, এই মিডিয়া ব্রিফিং-এ আমি সবচেয়ে বেশী জোর দিতে চাই আমাদের বাংলাদেশের ব্যাপারে। পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত বালুময় সমুদ্র সৈকত কক্স্রবাজারকে আমারা সবার কাছে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের সামনে এবং বৃটিশ সোসাইটিতে তুলে ধরতে চাই। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই প্রাকৃতিক সি-বিচকে যথার্থভাবে উপস্থাপন করলে কার না আগ্রহ জাগবে। বিশেষ করে হলিডেতে হাজার হাজার মানুষ বাংলাদেশে যাচ্ছেন। সন্তানদেরও সাথে নিচ্ছেন। এখন যদি গর্ব করার মতো আরাম-সুখের জায়গাগুলো ঘুরিয়ে না দেখান, তবে তো নতুন প্রজন্মের কাছে সব সময় নেতিবাচকভাবে বাংলাদেশ চিত্রিত হবে। সেই সূত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের জন্য কক্সবাজার ফ্লাইট অনেকটা ফ্র্রি করে দেয়া হয়েছে। যারা দেশে যাচ্ছেন, ঢাকায় বা সিলেটে তারা যে কোনো ট্রাভেলস থেকেই টিকেট করুন না কেনো, এয়ার এক্সপ্রেস থেকে কক্সবাজার আপগ্রেড করে নিতে পারবেন। আর নতুন করে যারা টিকেট করবেন, তারাও পুরো যাত্রাই ইউকে থেকে নিশ্চিত করতে পারবেন। আমরা আশা করি সবাই দু-তিন দিনের জন্য কক্সবাজারে হলিডে করবেন, ফাইভ স্টার মানের হোটেল ও রিসোর্ট এবং সতেজ খাবার উপভোগ করবেন।


শফিকুল ইসলাম, জিএম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স: তিনি বলেন, আমাদের টপ এজেন্ট এওয়ার্ড অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী, সচিব ও চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আমরা কক্সবাজার প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। এয়ার এক্সপ্রেসের এতে পার্টনারশীপে রয়েছে। আমরা চাই এয়ার এক্সপ্রেস নিউ জেনারেশনের নানা হলিডে প্যাকেজকে যেমন প্রমোট করছে, আমাদের প্রিয় ও অহংকারের প্রতীক কক্সবাজারকে সেরকম প্রমোট করবে। আমরা আশা করি, এভাবে বাংলাদেশের প্রধান টোরিস্ট স্পটগুলোকে পর্যায়ক্রমে শুধু কমিউনিটিতে নয়, মেইনস্ট্রিমেও মর্যাদার আসন পাবে। আকর্ষণীয় হলিডে ডেস্টিনেশন হিসেবে বিবেচিত হবে। এক্ষেত্রে মিডিয়াসহ সকলের আন্তরিক সহযোগিতা দরকার।



সাম্প্রতিক খবর

বাংলা পোস্ট পত্রিকার ১৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ঃ বুধবার ৯ অক্টোবর সাপ্তাহিক বাংলা পোস্ট পত্রিকার ১৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকার কার্যালয়ে এক আনন্দ সভার আয়োজন করা হয়। বাংলা পোস্টের অনারারী চেয়ারম্যান শেখ মোঃ মফিজুর রহমান ও ফাউন্ডার তাজ চৌধুরীর কেক কাটার মাধ্যমে আনন্দ সভার কাজ শূরু হয়। এসময় বাংলা পোস্ট পরিবারের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। শেখ মোঃ মফিজুর রহমান তার স্বাগত বক্তব্যে দীর্ঘদিন ধরে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment