আজ : ০৫:৩৬, এপ্রিল ২৫ , ২০১৯, ১২ বৈশাখ, ১৪২৬
শিরোনাম :

অবশেষে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু


আপডেট:০৬:১০, এপ্রিল ১৬ , ২০১৯
photo

ঢাকা প্রতিবেদক: অবশেষে রাজধানীর হাতিরঝিলের মধ্যে অবৈধভাবে নির্মিত বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ আজই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। ভবনের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন লাইনসহ সব ইউটিলিটি সার্ভিস সংযোগ বিচ্ছিন্নের মাধ্যমে এ কাজ শুরু হবে।

আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টার দিকে বিজিএমইএ ভবনের সামনে রাজউক কর্মকর্তারাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা অবস্থান নেন। পাশাপাশি ভবন ভাঙার গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

রাজউকের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ভবনটি ভাঙতে বিজিএমইএকে দেয়া সময় পার হওয়ার পরই এটি ভাঙার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবনটি ভাঙতে রাজউক সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এছাড়া ভবন থেকে মালামাল সরাতে অফিস মালিকদের স্বল্প সময় দেয়া হতে পারে। এরপরই মূল ভবন ভাঙার কাজ শুরু হবে।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়ে রায় দেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে বিজিএমইএ আপিল আবেদন করে। ওই আবেদনের শুনানি শেষে ২০১৩ সালে বিজিএমইএকে কিছু নির্দেশনা দিয়ে ভবন ভাঙার জন্য বলা হয়। এরপর রিভিউ আবেদনটিও খারিজ হয়। পরবর্তীতে আদালতের কাছে সময় চেয়ে বারবার আবেদন করে সংগঠনটি। সবশেষ গত বছরের ৩ এপ্রিল এক বছরের জন্য সময় দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

একাধিকবার সময় নিয়েও আদালতের নির্দেশে বিজিএমইএ ব্যর্থ হলে ভবন করার ক্ষেত্রে জায়গা না পাওয়ার অজুহাত দেখায়। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ৫০ শতাংশ কমমূল্যে উত্তরার ১৭ নং সেক্টরে ১১০ কাঠা জমি দেয়া হয়। আর সেই জমির ওপর ২০১৭ সালে ১৩তলা বিজিএমইএ কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত ৬তলার নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ভবনটির পুরো কাজ শেষ হবে ২০২০ সালের জুন মাসে। তবে কয়েকটি তলার নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় ও হাইকোর্টের নির্দেশের বাধ্যবাধকতায় চলতি মাসেই বিজিএমইএর প্রধান কার্যালয় উত্তরায় স্থানান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দিয়েছিল আদালত। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে নামছে রাজউক।



সাম্প্রতিক খবর

শ্রীলঙ্কার হামলা নিয়ে জাসিন্ডার সংবাদ সম্মেলন

photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডেতে বিস্ফোরণ ঘটানো নিউ জিল্যান্ডের মসজিদে হামলার প্রতিশোধ কিনা তা নিয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন। বুধবার অকল্যান্ডে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তারা এমন কোনও গোয়েন্দা তথ্য পাননি, যেখানে বোঝা যায় যে ক্রাইস্টচার্চে হামলার প্রতিশোধে নিতেই ওই হামলা চালানো হয়েছে। ১৫ মার্চ (শুক্রবার)

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment