আজ : ১২:৪৫, সেপ্টেম্বর ১৯ , ২০১৮, ৪ আশ্বিন, ১৪২৫
শিরোনাম :

দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ: জাতিসংঘের সামনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র বোতল ছোড়াছুড়ি


আপডেট:০৮:১১, সেপ্টেম্বর ২২ , ২০১৭
photo

বিশেষ প্রতিনিধি নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে বৃহস্পতিবার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল হয়েছে। দু'পক্ষের মধ্যে পানির বোতল ছোড়াছুড়ি ঘটনাও ঘটে। নিউইয়র্ক পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় পুলিশের একজন কর্মকর্তা সামান্য আহত হয়েছেন। দু'পক্ষের মাঝখানে ব্যারিকেড থাকায় বড় ধরণের সংঘর্ষ বাঁধেনি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে স্বাগত জানাতে জাতিসংঘের সামনে পূর্বনির্ধারিত শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন। এর নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন একই স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি দেয়। এর নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান, আকতার হোসেন বাদল প্রমুখ।

নিউইয়র্ক পুলিশ একই স্থানে সমাবেশের অনুমতি দিলেও ব্যারিকেড দিয়ে আলাদা করে দেয়। দু'পক্ষ নির্ধারিত স্থানে পক্ষে-বিপক্ষে স্লোগান দেয়। এ নিয়ে দুপক্ষের কর্মীদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে শুরু হয় পানির বোতল ছোড়াছুড়ি। পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু'পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নেয়। এসময় পুলিশ দুপক্ষকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে এলে পুলিশ দুপক্ষকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ থাকায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিপুল নেতা-কর্মী জাতিসংঘ ভবনের ভেতরে ছিলেন। বিএনপির তুলনায় আওয়ামী লীগের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। বিএনপির বিক্ষোভে নিউইয়র্ক, নিউজার্সিসহ আশেপাশের রাজ্য থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী যোগ দেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যকার এই হট্টগোলে কার্যত বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ প্রবাসীরা।



সাম্প্রতিক খবর

কেউ বলতে পারবে না কারো গলা টিপে ধরেছি: প্রধানমন্ত্রী

photo ঢাকা সংবাদদাতা: কথা বলার স্বাধীনতা সবারই আছে। সংবাদপত্র, সাংবাদিকদের স্বাধীনতার কথা আমরা সব সময় বিশ্বাস করি। এটা কেউ বলতে পারবে না যে কারো গলা টিপে ধরেছি, কারো মুখ টিপে ধরেছি অথবা কাউকে বাধা দিয়েছি- দেইনি, দেই না। বরং সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার আমরা করেছি। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত আহত সাংবাদিক ও নিহত

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment