আজ : ১২:১৯, অক্টোবর ২২ , ২০১৯, ৬ কার্তিক, ১৪২৬
শিরোনাম :

ব্রেক্সিট চুক্তিই প্রাধান্য পাচ্ছে, তবে ‘জনরায়ের’ সম্ভাবনাকে বাদ দিয়ে নয়: করবিন


আপডেট:০৮:২৪, মার্চ ২৮ , ২০১৯
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সের বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত করাই এখন পর্যন্ত তার দলের মূল লক্ষ্য। তবে থেরেসা মের অগ্রহণযোগ্য ব্রেক্সিট চুক্তি বা চুক্তিহীন ব্রেক্সিট পরিস্থিতি এড়াতে ‘জনরায়’ নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা দরকার। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ব্রেক্সিটের বিষয়ে জনরায় নেওয়ার প্রস্তাবে লেবার এমপিরা যেন দলীয় অবস্থান মেনে চলেন তা নিশ্চিতে হুইপিং করার কথা হয়েছিল। এর সমালোচনায় প্রতিবাদমুখর হন লেবার পার্টির অনেক এমপি। সেই প্রেক্ষিতে অবস্থান স্পষ্ট করে চিঠি লিখেছেন জেরেমি করবিন।

২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের রায় অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ রাত ১১টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ ত্যাগের কথা ছিল যুক্তরাজ্যের। ব্রেক্সিট পরবর্তীকালে ইইউয়ের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের শর্ত নির্দিষ্ট করে একটি খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে তা সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যের সমর্থন পায়নি। দেশটির টোরি প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে আবার ইইউ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সংসদ সদস্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে এমন একটি চুক্তি উপস্থাপন করেন গত ১২ মার্চ। কিন্তু তাও পরাজিত হয়।

গত বুধবার (২৭ মার্চ) লেবার পার্টি নিশ্চিত করেছে, সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবটিতে দলের সংসদ সদস্যদের সমর্থন আশা করে দলটি। লেবার পার্টির এমপি ডেম মারগারেট বেকেট প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছে। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, যতদিন ‘জনগণের ভোটের মাধ্যমে সমর্থন নিশ্চিত না হয়’ ততদিন সংসদ সদস্যদের উচিত হবে না কোনও ব্রেক্সিট চুক্তিকে সমর্থন দেওয়া। কিন্তু এই প্রস্তাব উত্থাপনের পর করবিনের নেতৃত্বের প্রতি অনুগত এমপিসহ বেশ কয়েকজন শ্যাডো মিনিস্টার তীব্র সমালোচনা করেন। ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের ফলাফল উল্টে যেতে পারে এমন একটি প্রস্তাব সমর্থনের বিষয়ে তাদের ভূমিকাকে ‘সাবধানী’ আখ্যায়িত করেছে গার্ডিয়ান। এমপিদের একজন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এ বিষয়ে ‘হুইপিং’ করা হলে বড় মাত্রায় বিদ্রোহের সম্ভাবনা রয়েছে।

দলের এমপিদের কাছে লেখা চিঠিতে তিনি বলেছেন, বর্তমানে দলের সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখা কাজটি হচ্ছে, গ্রহণযোগ্য একটি ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা। দ্বিতীয় ব্রেক্সিট গণভোটের জন্য উত্থাপিত প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। প্রস্তাবনার পক্ষে ভোট দিতে করবিন সংসদীয় পদ্ধতি অনুসরণে দলের এমপিদের অনুশাসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন (হুইপিং)। এর প্রেক্ষিতে দলের অনেক সদস্য পদত্যাগের করার আভাস দিয়েছিলেন। পরিস্থিতিতে সামলাতে ব্রেক্সিট বিষয়ে দ্বিতীয় গণভোটের সমালোচক আয়ান ল্যাভেরি, জন ট্রিকেট, রিচার্ড বার্গন, অ্যাঞ্জেলা রেনার এবং রেবেক লং বেইলি দেখা করেন করবিনের সঙ্গে। তারপর দলের অবস্থান স্পষ্ট করে চিঠি লেবার পার্টির এমপিদের কাছে চিঠি লেখেন তিনি।

করবিনের ভাষ্য, ‘লেবার পার্টি যে চুক্তির কথা প্রস্তাব করেছে সেটিই আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য সমাধান: এতে একই মাত্রায় শুল্ক আরোপ, ইউরোপের একক বাজারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং অধিকার, মান ও সুরক্ষার বিষয়ে সঙ্গতি নিশ্চিত করা হবে।’ একই সঙ্গে নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি ও ডেম মারগারেট বেকেটের ‘জনগণের ভোটের মাধ্যমে সমর্থন নিশ্চিত’ করার প্রস্তাব সমর্থনের জন্য হুইপিংয়ের সিদ্ধান্তের মধ্যে যোগসূত্র কী? করবিন লেবার এমপিদের কাছে লেখা চিঠিতে ব্যাখ্যা করেছেন, ‘বেকেটের প্রস্তাবকে যদি আমাদের ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধাচারণ মনেও হয়, তাহলেও তাকে সমর্থ করা উচিত,’ যাতে ‘থেরেসা মের অগ্রহণযোগ্য ব্রেক্সিট চুক্তি বা নো-ডিল ব্রেক্সিট থামিয়ে দেওয়া যায়।’



সাম্প্রতিক খবর

ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পেছাবে বেক্সিট : সানডে টাইমস

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যদি চলতি সপ্তাহে অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তার সম্পাদিত চুক্তি পার্লামেন্টে পাস করাতে ব্যর্থ হন তাহলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্রেক্সিট কার্যকরের নির্ধারিত সময় পিছিয়ে দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যুক্তরাজ্যের দৈনিক দ্য সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এমন খবর জানিয়ে বলা হয়েছে, বর্ধিত সময়

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment