আজ : ০৪:২১, জানুয়ারি ২৪ , ২০২০, ১০ মাঘ, ১৪২৬
শিরোনাম :

ভুয়া সংবাদ প্রচারে বার্মিংহাম সিটি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছমির আলীর প্রতিবাদ


আপডেট:০৩:২৪, জুন ২১ , ২০১৯
photo

আব্দুল হামিদ খান সুমেদ:- যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছমির আলী বহিস্কার শিরোনামে গত১৯জুন একটি ভুয়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে অনলাইন পোর্টাল সুরমা ভিউ,যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়া দাবীকরে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান বার্মিংহাম সিটি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছমির আলী।

তিনি এক প্রতিবাদ বার্তায় উল্লেখ করেন,দলীয় সংবিধান মোতাবেক বার্মিংহাম সিটি বিএনপির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক কিংবা অন্য কোনো নেতৃবৃন্দের এখতিয়ার নেই কোন পদধারী নেতা কিংবা কর্মীকে বহিস্কার করার। হ্যা উনারা যুক্তরাজ্যে বিএনপির কাছে অভিযোগ করতে পারেন কিন্তু বহিস্কার কিংবা অব্যাহতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন না। তাই সম্প্রতি প্রকাশিত এই সংবাদে বার্মিংহাম বিএনপির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সহ আরো কিছু নেতৃবৃন্দের নাম উল্লেখিত যে প্রচারণা সোসিয়াল মিডিয়ায় চালানো হচ্ছে তাতে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী হিসেবে আমি অত্যন্ত বিব্রতকর।

যার কারণ হিসেবে আমি যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে এই সংবাদের সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মানহানিকর বিচারের শরণাপর্ণ হতে বাধ্য।

এবং আমি ব্যক্তিগত ভাবে যুক্তরাজ্যে বিএনপির কাছে বিনীত অনুরোধ করছি আপনারা এই সংবাদের সত্যতা যাচাই করুন কারণ বার্মিংহাম সিটি বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ পদধারী অন্য আরো যাদের নাম উল্লেখ করে দলীয় যে প্যাড ব্যবহার করা হয়েছে তা একটি ভুয়া প্যাড কারণ আমাদের দলের নাম হচ্ছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি,ন্যাশনাল পার্টি নয়।তাই দলের একজন কর্মী হিসেবে উক্ত সংবাদে উল্লেখিত নেতৃবৃন্দ যথা শিগ্রই এই ভুয়া সংবাদের প্রতিবাদ করবেন/না হলে প্রমাণিত হবে এই ভুয়া ও অসাংবিধানিক সংবাদে উনারা জড়িত আর যদি তাই হয় তাহলে সেক্ষেত্রে সংগঠনের ভুয়া প্যাড ব্যবহার করে দলকে অপমানিত করার জন্য উনাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যুক্তরাজ্যে বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।



সাম্প্রতিক খবর

বৃটেনে ইমিগ্রশন আইন শিথিল

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড বেতন দেওয়ার যে শর্ত রয়েছে, সেটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বরিস জনসন বলেন, ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ের জন্য সরকার যে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, আয়ের ওই শর্ত তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment