আজ : ০৫:৩৯, জানুয়ারি ২৪ , ২০২০, ১০ মাঘ, ১৪২৬
শিরোনাম :

ভারত ম্যাচ বয়কট করলে সানন্দে মেনে নেবে পাকিস্তান


আপডেট:১০:২৯, ফেব্রুয়ারি ২৭ , ২০১৯
photo

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। এর আঁচ লেগেছে দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কেও। আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের দাবি তুলেছেন ভারতীয়রা। সেটি নিয়ে ভাবছে ভারতের ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। শেষ পর্যন্ত মহারণ থেকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা নিজেদের সরিয়ে নিলে তা সানন্দে মেনে নেবে পাকিস্তান।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই মত প্রকাশ করেছেন। গেল মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আইসিসিকে বিসিসিআইয়ের ম্যাচ বয়কট প্রস্তাবের পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত পিসিবি। ভারতীয় বোর্ড কি সিদ্ধান্ত নেবে জানি না। তবে এই ব্যাপারে আমাদের অবস্থান পরিস্কার। প্রতিবেশি দল ওয়াকওভার (ম্যাচ ছেড়ে দেয়া) দিলে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা সানন্দে দুই পয়েন্ট নেব।

শেষে একাধিক প্রশ্নবাণে বিসিসিআইকে বিদ্ধ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই পিসিবি কর্মকর্তা, গ্রুপপর্বে না হয় ছেড়ে দেবে, নকআউট রাউন্ডে হলে? তখন কী করবে? সেই ম্যাচটিও কী বয়কট করবে? অসুবিধা নেই, ম্যাচ বর্জনের সব সিদ্ধান্ত আমরা সানন্দে গ্রহণ করব। না খেলে পয়েন্ট পেলে সমস্যা কোথায়?

কাশ্মীর হামলার পর বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের দাবিতে সোচ্চার ভারতীয়রা। সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি, হরভজন সিং, বীরেন্দ্র শেবাগসহ একাধিক ক্রিকেটার এর পক্ষে। তবে বিপক্ষে আছেন সুনিল গাভাস্কার, শচীন টেন্ডুলকার, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনসহ অনেকে। এই বিতর্কে দেশটির ক্রিকেটাঙ্গন দ্বিধাবিভক্ত হলেও মত আছে কেন্দ্রীয় সরকারের। ম্যাচ ছেড়ে দিতে বিসিসিআইকে নির্দেশও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে চিঠি দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানকে যেন নিষিদ্ধ করা হয়। আসছে শুক্রবার ও শনিবার হবে আইসিসি নির্বাহী বোর্ডের বৈঠক। সেখানেও বিষয়টি উত্থাপন করবেন বিশ্বের প্রভাবশালী বোর্ডের কর্তারা। তবে নাছোড়বান্দা পিসিবি কর্তারা। তারাও এ নিয়ে কথা বলবেন।



সাম্প্রতিক খবর

বৃটেনে ইমিগ্রশন আইন শিথিল

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড বেতন দেওয়ার যে শর্ত রয়েছে, সেটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বরিস জনসন বলেন, ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ের জন্য সরকার যে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, আয়ের ওই শর্ত তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment