আজ : ০১:৩৬, ফেব্রুয়ারি ১৭ , ২০২০, ৫ ফাল্গুন, ১৪২৬
শিরোনাম :

মামলা এত্তো বেশী যে ফাইল রাখার মতো জায়গা নেই: প্রধান বিচারপতি


আপডেট:১২:১৩, এপ্রিল ২৮ , ২০১৯
photo

ঢাকা প্রতিনিধি: মামলার জট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টে বর্তমানে এত মামলা যে ফাইল রাখার জায়গা নেই। এককথায় ক্রিটিক্যাল অবস্থা। এভাবে চলতে পারে না। এর সমাধান বের করতে হবে।

আজ রোববার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এক মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি এ মন্তব্য করেন। আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল শনিবার সুপ্রিম কোর্টের অডিটরিয়ামে জুডিশিয়াল রিফর্ম কমিটি ও জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন বাংলাদেশ (জিআইজেড) আয়োজিত দেশের মামলার বিচার-সংক্রান্ত এক নিরীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

প্রতিবেদন প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ডিআইজেডের উপস্থাপন করা সুপ্রিম কোর্টের মামলার নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেখে আমি প্রায় বিব্রত। এত মামলা! এভাবে চলতে পারে না।’

‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মামলাজট নিরসন বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সব বিচারপতিকে নিয়ে বসব। সবাইকে বলব যে এ অবস্থায় কী করবেন, আপনারা দেখেন।’

প্রধান বিচারপতি আরো বলেন, ‘বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় পাঁচ লাখ ২৫ হাজার মামলা বিচারাধীন। ১৯৮২ সালে ছিল মাত্র ২৫ হাজার। আর আগাম জামিনের আবেদনগুলো যদি নিষ্পত্তি না করা হতো, তাহলে বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে মামলার পরিমাণ ১০ লাখ ছাড়িয়ে যেত।’

প্রধান বিচারপতি বিচারব্যবস্থার বিদ্যমান অবস্থা তুলে ধরার পাশাপাশি মামলাজট ও এর সমস্যা থেকে উত্তরণের বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। আর বিচারাধীন মামলার তুলনায় বিচারকের অপর্যাপ্ততা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘প্রতিদিন মামলাজট বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশে প্রতি ১০ লাখ লোককে মাত্র ১০ জন বিচারক বিচারিক সেবা দিচ্ছেন।’

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির একটি নিরীক্ষা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মামলা পারস্পরিক বোঝাপড়া বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। সেখানে বড়জোর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মামলা নিষ্পত্তি হয় আদালতে। আর আমাদের দেশে চিত্র ঠিক এর বিপরীত। এ দেশে কেবল ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি হয়ে থাকে বোঝাপড়া বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে। আর ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি হয় আদালতে।’



সাম্প্রতিক খবর

বাংলাদেশ হাই কমিশনে জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন

photo কে এম আবুতাহের চৌধুরী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বাংলাদেশ হাই কমিশনে জাতীয় পরিচয় পত্র কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন । তিনি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেছেন যে -বৃটেনের সাথে বাংলাদেশের শত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে।আজ যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশীদের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন।কারন প্রবাসী বাংলাদেশীদের দীর্ঘ দিনের দাবী পূরণ হতে চলেছে।জাতীয়

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment